West Bengal
26 Oct 2026, 07:06 PM
বেতন দিতে চাননি স্ত্রী, হাত-পা বেঁধে হাঁটুতে পরপর হাতুড়ির ঘা স্বামীর! পলাতক অভিযুক্ত
S
Sangbad Pratidin
@sangbadpratidin
স্বামীকে নিজের বেতন দিতে চাননি স্ত্রী। আর সেই ‘অপরাধে’ই স্ত্রীর হাত পা বেঁধে হাতুড়ি দিয়ে খুনের চেষ্টার অভিযোগ উঠল ব্যক্তির বিরুদ্ধে। বর্তমানে জখম মহিলা ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন। বাসন্তী থানা এলাকার নফরগঞ্জে এই ঘটনাটি ঘটে। এই ঘটনায় স্বামীর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে। ঘটনার পরেই পলাতক অভিযুক্ত স্বামী। তাঁর খোঁজে শুরু হয়েছে তল্লাশি।
জখম মহিলার নাম নাজমা শেখ। অভিযুক্ত স্বামীর নাম হাসান শেখ। তাঁরা দুজনেই গড়িয়ায় একটি দরজির দোকানে সেলাইয়ের কাজ করেন। দুজনে আলাদা আলাদা বেতন পান। জানা গিয়েছে, স্বামী হাসান শেখ চাইতেন, প্রত্যেক মাসে নিজের বেতন তাঁর হাতে তুলে দিক স্ত্রী। কিন্তু নিজের কষ্টার্জিত অর্থ স্বামীর হাতে তুলে দিতে নারাজ ছিলেন নাজমা। সেই নিয়েই বিবাদের জেরে স্বামী-স্ত্রী আলাদা থাকছিলেন। দীর্ঘদিন ধরেই দুজনের মধ্যে এই নিয়ে অশান্তি চলছিল। সম্প্রতি মাছ দেওয়ার নাম করে স্ত্রীকে দেখা করতে বলেন হাসান। স্বামীর কথা বিশ্বাস করে ভরতগড় বাজারে দেখা করতে আসেন স্ত্রী। নাজমাকে নিয়ে এক আত্মীয়ের বাড়িতে যান হাসান। অভিযোগ, সেই বাড়ির একটি ঘরে নাজমার হাত-পা বেঁধে মারধর করা হয়। হাতুড়ি দিয়ে দুটি হাঁটুতে আঘাত করা হয়। হাতুড়ি মারা হয় পিঠেও।
নাজমার চিৎকার শুনে ছুটে আসেন স্থানীয়রা। ধরা পড়ে যাওয়ার ভয়ে পালিয়ে যান অভিযুক্ত স্বামী। নাজমাকে গুরুতর জখম অবস্থায় উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় বাসন্তী ব্লক গ্রামীণ হাসপাতালে। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে স্থানান্তরিত করা হয় ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে। বর্তমানে তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
জখম মহিলার নাম নাজমা শেখ। অভিযুক্ত স্বামীর নাম হাসান শেখ। তাঁরা দুজনেই গড়িয়ায় একটি দরজির দোকানে সেলাইয়ের কাজ করেন। দুজনে আলাদা আলাদা বেতন পান। জানা গিয়েছে, স্বামী হাসান শেখ চাইতেন, প্রত্যেক মাসে নিজের বেতন তাঁর হাতে তুলে দিক স্ত্রী। কিন্তু নিজের কষ্টার্জিত অর্থ স্বামীর হাতে তুলে দিতে নারাজ ছিলেন নাজমা। সেই নিয়েই বিবাদের জেরে স্বামী-স্ত্রী আলাদা থাকছিলেন। দীর্ঘদিন ধরেই দুজনের মধ্যে এই নিয়ে অশান্তি চলছিল। সম্প্রতি মাছ দেওয়ার নাম করে স্ত্রীকে দেখা করতে বলেন হাসান। স্বামীর কথা বিশ্বাস করে ভরতগড় বাজারে দেখা করতে আসেন স্ত্রী। নাজমাকে নিয়ে এক আত্মীয়ের বাড়িতে যান হাসান। অভিযোগ, সেই বাড়ির একটি ঘরে নাজমার হাত-পা বেঁধে মারধর করা হয়। হাতুড়ি দিয়ে দুটি হাঁটুতে আঘাত করা হয়। হাতুড়ি মারা হয় পিঠেও।
নাজমার চিৎকার শুনে ছুটে আসেন স্থানীয়রা। ধরা পড়ে যাওয়ার ভয়ে পালিয়ে যান অভিযুক্ত স্বামী। নাজমাকে গুরুতর জখম অবস্থায় উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় বাসন্তী ব্লক গ্রামীণ হাসপাতালে। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে স্থানান্তরিত করা হয় ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে। বর্তমানে তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
Source Credit: sangbadpratidin.in
Read Full Story
1
Comments (0)