বিএমডব্লিউ নিয়ে অশান্তি, ১০ লক্ষ টাকার জন্য চাপ! বিয়ের ১০ মাসেই রহস্যমৃত্যু বধূর, খুন নাকি আত্মহত্যা?
West Bengal 11 Oct 2026, 06:51 PM

বিএমডব্লিউ নিয়ে অশান্তি, ১০ লক্ষ টাকার জন্য চাপ! বিয়ের ১০ মাসেই রহস্যমৃত্যু বধূর, খুন নাকি আত্মহত্যা?

S
Sangbad Pratidin
@sangbadpratidin
বাপের বাড়ি থেকে ১০ লক্ষ টাকার জন্য চাপ ছিলই। সেই সঙ্গে জুড়েছিল বিএমডব্লিউ কেনা নিয়ে অশান্তি। এসবের মাঝেই ঘর থেকে উদ্ধার বধূর দেহ। শ্বশুরবাড়ির দাবি, আত্মহত্যা করেছেন তরুণী। কিন্তু এই দাবি মানতে নারাজ মৃতার পরিবার। মৃতার বাবার অভিযোগ, খুন করা হয়েছে তাঁর মেয়েকে। ইতিমধ্যেই দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে পুলিশ। রিপোর্ট হাতে এলে তবেই স্পষ্ট হবে মৃত্যুর কারণ।
মৃত স্নেহা চক্রবর্তী।
জানা গিয়েছে, মৃতার নাম স্নেহা চক্রবর্তী। পশ্চিম মেদিনীপুর শহরের ডাকবাংলো রোড এলাকার বাসিন্দা তিনি। বাবা ধ্রুব চক্রবর্তী লালবাজারে কর্মরত। জানা গিয়েছে, যমুনাবালির বাসিন্দা রণদীপ জানার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল বছর পঁচিশের স্নেহার। দুই পরিবারের সম্মতিতে গত ডিসেম্বরে তাঁদের বিয়ে হয়। সেই সময় জামাইয়ের দাবি মতো যৌতুকও দেন স্নেহার বাবা। অভিযোগ, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে চাহিদা বাড়ছিল রণদীপের। সম্প্রতি বাপের বাড়ি থেকে ১০ লক্ষ টাকা আনার জন্য স্নেহার উপর চাপ দিতে শুরু করেন তিনি। গোটা ঘটনায় রণদীপকে উসকানি দিত তাঁর বন্ধু বশার। কয়েকদিন ধরে বিএমডব্লিউ কেনা নিয়ে দম্পতির মধ্যে অশান্তি চলছিল। এসবের মাঝে বন্ধু বশারের সঙ্গে গিয়ে বিলাসবহুল গাড়ি কিনে ফেরেন রণদীপ। গত শুক্রবার রাতে রণদীপ ও বশার স্নেহাকে বেধড়ক মারধর করে বলেও অভিযোগ।
মৃত স্নেহা চক্রবর্তী ও রণদীপ জানা।
এরপর শনিবার রাতে শ্বশুরবাড়িতেই মেলে স্নেহার দেহ। খবর পেয়েই দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায় পুলিশ। মৃতার শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের দাবি, আত্মঘাতী হয়েছেন স্নেহা। কিন্তু এই দাবি মানতে নারাজ স্নেহার বাবা। তাঁর দাবি, মেয়েকে পরিকল্পনামাফিক অর্থের লোভে খুন করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই এবিষয়ে কোতোয়ালি থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন মৃতার বাবা। মৃতার পরিবারের সদস্যদের দাবি, অত্যন্ত বদমেজাজি রণদীপ। প্রায়ই স্নেহাকে মারধর করত। তবে সংসার ভাঙার ভয়ে একাধিক মীমাংসা করা হয়েছে। সম্প্রতি গাড়ির ডেলিভারিকে কেন্দ্র করে অশান্তি চরমে উঠেছিল। মৃতার বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ রণদীপ-সহ শ্বশুর বাড়ির দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
Source Credit: sangbadpratidin.in
Read Full Story
2

Comments (0)

Login to join the conversation