West Bengal
08 Oct 2026, 02:45 PM
রাত আড়াইটেয় বন্ধুকে মেসেজ, ৪৫ মিনিট সিপিআর! মৃত্যুর আগে নানার শেষ কয়েক ঘণ্টা
S
Sangbad Pratidin
@sangbadpratidin
বৃহস্পতিবার সকালে গোয়ার বাসভবনে অচৈতন্য অবস্থায় পাওয়া যায় নানা পাটেকরকে। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও শেষরক্ষা হয়নি। ৪৫ মিনিট ধরে শত চেষ্টার পর ব্যর্থ হন চিকিৎসকরা। সুস্থসবল মানুষ। দিন চারেক আগেই গোয়ার এক অনুষ্ঠানে রীতিমতো নাচ-গানে আসর মাতিয়েছিলেন। শুধু তাই নয়, ফুটন্ত বক্তৃতায় নশ্বর জীবনের কথা উল্লেখ করে জীবনদর্শনের এক অন্য ব্যকরণের পাঠ দিয়েছিলেন নানা। মাত্র চার দিনের ব্যবধানে সেই মানুষটিই যে আর নেই, বিশ্বাসই হচ্ছে না ঘনিষ্ঠদের। স্বাভাবিকভাবেই অভিনেতার মৃত্যুতে জনমানসে বেশ কিছু প্রশ্ন উঁকি দিয়েছে। কীভাবে কেটেছিল নানা পাটেকরের শেষ কয়েক ঘণ্টা?
“গভীর রাত হওয়ায় তাঁর বন্ধু মেসেজটি দেখতে পাননি। তাই পরে নানাকে ফোন করেন। এরপর ভোর ৪টে নাগাদ তিনি পাটেকরের বাড়িতে যান। ততক্ষণে অভিনেতার শরীর ঘামতে শুরু করেছিল…”
নানাকে অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে গোয়ার মণিপাল হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলেন তাঁর বন্ধু। সেই হাসপাতালেরই অঙ্কোলজি বিভাগের প্রধান চিকিৎসক শেখর সালকার জানালেন মৃত্যুর আগে ঠিক কী ঘটেছিল? তিনি জানালেন, রাত আড়াইটে নাগাদ কাছের এক বন্ধুকে মেসেজ পাঠিয়েছিলেন। ডা. সালকারের কথায়, “আমাদের যতটুকু মনে পড়ছে, রাত ২:৩০টে নাগাদ বন্ধুকে মেসেজ করে নানা পাটেকর জানিয়েছিলেন যে তিনি সুস্থবোধ করছেন না। কিন্তু গভীর রাত হওয়ায় তাঁর বন্ধু মেসেজটি দেখতে পাননি। তাই পরে নানাকে ফোন করেন। এরপর ভোর ৪টে নাগাদ তিনি পাটেকরের বাড়িতে যান। ততক্ষণে অভিনেতার শরীর ঘামতে শুরু করেছিল এবং অন্যান্য উপসর্গ দেখা দিচ্ছিল। তাই দেরি না করে তড়িঘড়ি তাঁকে সেখান থেকে সরিয়ে প্রয়োজনীয় প্রাথমিক পদক্ষেপগুলি নেওয়া হয়। কিন্তু অভিনেতা ধীরে ধীরে জ্ঞান হারিয়ে ফেলছিলেন দেখে বাড়ির পরিচারককে অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়।” তারপর?
নানা পাটেকর, ফাইল ছবি।
চিকিৎসক জানান, হাসপাতাল থেকে আপৎকালীন একটি মেডিক্যাল টিম নানা পাটেকরের বাড়িতে যান। কিন্তু চিকিৎসকরা পৌঁছনোর আগেই অভিনেতা পুরোপুরি অসাড় হয়ে পড়েছিলেন। এরপরই তাঁকে সিপিআর দেওয়া হয়। কিন্তু কোনও কাজ না হওয়ায় ভোর ৪টে ২০ নাগাদ অভিনেতাকে গোয়ার মণিপাল হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। হাসপাতালে নিয়ে আসার পরও চিকিৎসকরা তাঁকে বাঁচিয়ে তোলার চেষ্টা চালিয়ে যান। প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে কার্ডিয়াক ম্যাসাজ আর সিপিআর দেওয়া হয়। তবে এত প্রচেষ্টা সত্ত্বেও নানা পাটেকরকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি এবং ভোর ৫টা ২০ নাগাদ তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়। নানা পাটেকর যেহেতু সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের নিবন্ধিত রোগী ছিলেন না, তাই এই ঘটনাকে ‘মেডিকো-লিগ্যাল’ অর্থাৎ আইনি ও চিকিৎসা সংক্রান্ত মামলা হিসেবে গণ্য করা হয়েছে এবং পুলিশকে জানানো হয়েছে। এরপর ময়নাতদন্তের জন্য অভিনেতার মরদেহ গোয়া মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসক জানিয়েছেন, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলেই মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে।
“গভীর রাত হওয়ায় তাঁর বন্ধু মেসেজটি দেখতে পাননি। তাই পরে নানাকে ফোন করেন। এরপর ভোর ৪টে নাগাদ তিনি পাটেকরের বাড়িতে যান। ততক্ষণে অভিনেতার শরীর ঘামতে শুরু করেছিল…”
নানাকে অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে গোয়ার মণিপাল হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলেন তাঁর বন্ধু। সেই হাসপাতালেরই অঙ্কোলজি বিভাগের প্রধান চিকিৎসক শেখর সালকার জানালেন মৃত্যুর আগে ঠিক কী ঘটেছিল? তিনি জানালেন, রাত আড়াইটে নাগাদ কাছের এক বন্ধুকে মেসেজ পাঠিয়েছিলেন। ডা. সালকারের কথায়, “আমাদের যতটুকু মনে পড়ছে, রাত ২:৩০টে নাগাদ বন্ধুকে মেসেজ করে নানা পাটেকর জানিয়েছিলেন যে তিনি সুস্থবোধ করছেন না। কিন্তু গভীর রাত হওয়ায় তাঁর বন্ধু মেসেজটি দেখতে পাননি। তাই পরে নানাকে ফোন করেন। এরপর ভোর ৪টে নাগাদ তিনি পাটেকরের বাড়িতে যান। ততক্ষণে অভিনেতার শরীর ঘামতে শুরু করেছিল এবং অন্যান্য উপসর্গ দেখা দিচ্ছিল। তাই দেরি না করে তড়িঘড়ি তাঁকে সেখান থেকে সরিয়ে প্রয়োজনীয় প্রাথমিক পদক্ষেপগুলি নেওয়া হয়। কিন্তু অভিনেতা ধীরে ধীরে জ্ঞান হারিয়ে ফেলছিলেন দেখে বাড়ির পরিচারককে অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়।” তারপর?
নানা পাটেকর, ফাইল ছবি।
চিকিৎসক জানান, হাসপাতাল থেকে আপৎকালীন একটি মেডিক্যাল টিম নানা পাটেকরের বাড়িতে যান। কিন্তু চিকিৎসকরা পৌঁছনোর আগেই অভিনেতা পুরোপুরি অসাড় হয়ে পড়েছিলেন। এরপরই তাঁকে সিপিআর দেওয়া হয়। কিন্তু কোনও কাজ না হওয়ায় ভোর ৪টে ২০ নাগাদ অভিনেতাকে গোয়ার মণিপাল হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। হাসপাতালে নিয়ে আসার পরও চিকিৎসকরা তাঁকে বাঁচিয়ে তোলার চেষ্টা চালিয়ে যান। প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে কার্ডিয়াক ম্যাসাজ আর সিপিআর দেওয়া হয়। তবে এত প্রচেষ্টা সত্ত্বেও নানা পাটেকরকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি এবং ভোর ৫টা ২০ নাগাদ তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়। নানা পাটেকর যেহেতু সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের নিবন্ধিত রোগী ছিলেন না, তাই এই ঘটনাকে ‘মেডিকো-লিগ্যাল’ অর্থাৎ আইনি ও চিকিৎসা সংক্রান্ত মামলা হিসেবে গণ্য করা হয়েছে এবং পুলিশকে জানানো হয়েছে। এরপর ময়নাতদন্তের জন্য অভিনেতার মরদেহ গোয়া মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসক জানিয়েছেন, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলেই মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে।
Source Credit: sangbadpratidin.in
Read Full Story
2
Comments (0)